২২ মার্চ ২০২৫ শনিবার, ০২:১৭ পিএম
ডেস্ক রিপোর্ট
শেয়ার বিজনেস24.কম
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতার অবস্থান বজায় রাখতে হবে। কোনো মহলের রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের এজেন্ডা যেন সরকারের কর্মপরিকল্পনার অংশ না হয়, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা জরুরি।
শনিবার বেলা সোয়া ১১টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সম্মেলনটি গত বৃহস্পতিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানানোর উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টা ক্ষমতায় থেকেই রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকায় জনমনে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনকে ব্যবহার করার নানা লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে, যা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়।
তিনি আরও বলেন, ‘সংস্কার আগে, নির্বাচন পরে’ বা ‘নির্বাচন আগে, সংস্কার পরে’—এই বিতর্কের কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ, সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি ‘সংস্কার সনদ’ তৈরি হতে পারে, যা নির্বাচিত সরকার বাস্তবায়ন করবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো জরুরি সংস্কার শেষ করে দ্রুত অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা। পরবর্তী সরকার জনগণের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার সম্পন্ন করবে।
তিনি আরও বলেন, সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে বিভিন্ন সুপারিশ রয়েছে। বিএনপি ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই ঘোষিত ৩১ দফার মাধ্যমে এর ভিত্তি রচনা করেছে।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পাঠানো স্প্রেডশিটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ অপশন রাখা হয়েছে, তবে সংবিধানের প্রস্তাবনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সেখানে উল্লেখ নেই। বিএনপির মতে, স্প্রেডশিটের সঙ্গে মূল সুপারিশ সংযুক্ত না করলে বিভ্রান্তি তৈরি হবে।
তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশের সঙ্গে কিছু রাজনৈতিক দলের বক্তব্যের মিল রয়েছে। এতে জনমনে সন্দেহ তৈরি হতে পারে যে, এটি পূর্বনির্ধারিত কর্মপরিকল্পনার অংশ কি না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সেলিনা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ, সাল
শেয়ারবিজনেস24.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।