facebook twitter You Tube rss bangla fonts

ঢাকা, ০৬ এপ্রিল রবিবার, ২০২৫

Walton

আইপিএলের ভাষা বিড়ম্বনায় ফিজ–ওয়ার্নার কাণ্ড, হাস্যকর ছিল শিক্ষা


০৫ এপ্রিল ২০২৫ শনিবার, ০২:৩৯  পিএম

ডেস্ক রিপোর্ট

শেয়ার বিজনেস24.কম


আইপিএলের ভাষা বিড়ম্বনায় ফিজ–ওয়ার্নার কাণ্ড, হাস্যকর ছিল শিক্ষা

২০১৬ সালের আইপিএলের এক মজার ঘটনা আজও রয়ে গেছে ক্রিকেটভক্তদের মনে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার একবার মাঠে দাঁড়িয়ে ইশারা দিয়ে মোস্তাফিজুর রহমানকে বোঝাতে চেয়েছিলেন—"মাথা খাটিয়ে বল করো"। কিন্তু ব্যাটসম্যানের মাথা লক্ষ্য করে বাউন্সার ছুড়ে দিয়েছিলেন মোস্তাফিজ! কারণ? ভাষা!

সেই আইপিএল মৌসুমে ভাষাজনিত এই ভুল–বোঝাবুঝি হাস্যরসের জন্ম দিলেও দল পরিচালনার জন্য ছিল এক বড় চ্যালেঞ্জ। এমনকি এক সময় ওয়ার্নার টুইটে বলেছিলেন, ‘আমি ফিজের জন্য গুগল ট্রান্সলেট ব্যবহার করছিলাম, চেষ্টা করছিলাম বাংলা শেখার।’

বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া আইপিএল দলগুলো প্রায়ই পড়ে ভাষার জটিলতায়। যেমন ২০০৮ সালের প্রথম আসরে পীযুষ চাওলা ব্রেট লি ও শন মার্শদের ইংরেজি উচ্চারণ বুঝতে না পেরে যুবরাজ সিংকে বানিয়েছিলেন "ইংরেজি অনুবাদক"।

২০১৬ সালের সেই হায়দরাবাদ দলে মোস্তাফিজ ছাড়া কেবল রিকি ভুইই বাংলা জানতেন। ভুই-ই হয়ে উঠেছিলেন মোস্তাফিজের দোভাষী। তাঁর ভাষ্য, ‘মোস্তাফিজ দুইটা জিনিস ভয় পায়—ব্যাটিং আর ইংরেজিতে কথা বলা!’ তবু, সেই মৌসুমে ফিজ ১৬ ম্যাচে ১৭ উইকেট নিয়ে হয়ে ওঠেন বিদেশিদের মধ্যে প্রথম "উদীয়মান খেলোয়াড়", হায়দরাবাদও জেতে শিরোপা।

এই অভিজ্ঞতা থেকেই হয়তো ২০১৭ সালে রশিদ খানের সঙ্গে মোহাম্মদ নবীকেও দলে নিয়েছিল হায়দরাবাদ, যাতে পশতুভাষায় সঠিক বার্তা পৌঁছায় মাঠে। পরে গুজরাটে রশিদই দোভাষী হন নূর আহমেদের জন্য।

নিউজিল্যান্ডের সাবেক কোচ মাইক হেসন মনে করেন, এমন দৃশ্য ভবিষ্যতে আরও বদলাবে। তাঁর মতে, "দিনশেষে এটা তো ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ! একদিন বিদেশিরাও ভারতীয়দের মাতৃভাষায় কথা বলার চেষ্টা করবে।"

ভাষা–বিভ্রাট নিয়ে এই কাহিনি শুধু একটুকরো হাসি নয়, বরং আইপিএলের মতো বহুজাতিক টুর্নামেন্টে যোগাযোগের বাস্তব চিত্রও।

শেয়ারবিজনেস24.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: